বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
রেকর্ড টানা ১৪ বার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ব্রাজিল হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর ছাত্রদলের ‘হামলার’ প্রতিবাদ শিবিরের অর্পিত সম্পত্তি কাণ্ডের প্রশ্নে উত্তপ্ত সেই ভাইরাল ভিডিও, বাস্তবে কী ঘটেছিল? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একজন হারালেন চোখ, আরেকজনের মাথায় ৫ সেলাই সাংবাদিক হেনস্তার পর সাদুল্লাপুরের সেই এসিল্যান্ডকে পঞ্চগড়ের বোদায় বদলি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের একদিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু মসজিদের ভেতর থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, কক্ষে মিললো চিরকুট আরেক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মমতাজকে মেসিকেও ছাড়ালেন রোনালদো, বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড কবিরহাটে পিকআপভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত দুই
বারবার ফেলের তালিকায় আমি, তবুও বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আইনজীবীদের অভিনন্দন

বারবার ফেলের তালিকায় আমি, তবুও বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আইনজীবীদের অভিনন্দন

বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ নতুন আইনজীবীদের আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। নতুন পরিচয়—আইনজীবী বা অ্যাডভোকেট—অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্মানজনক, যা পেশাজীবী হিসেবে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতীক।

ব্যক্তিগতভাবে বলতে গেলে, আমি সেই তালিকায় নেই। ২০১৩ সালে এলএলবি পাশ করেও বার কাউন্সিলে নিয়মিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি, কিন্তু সফল হইনি। ন্যূনতম মেধা বা নিয়মিত অধ্যয়ন না থাকলেও আমি বর্তমানে গাইবান্ধা বারের শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু আমার লক্ষ্য কখনো ওকালতি নয়। আমার পথ সাংবাদিকতা—সত্য বলার, মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার, সমাজের সমস্যার গল্প জানানোর।

ওকালতি করলে আদালতের প্রক্রিয়ায় একজন পক্ষের ভূমিকায় থাকতে হয়—বাদী বা বিবাদী। কিন্তু সাংবাদিকতা আমাকে স্বাধীনভাবে সত্য প্রকাশের সুযোগ দেয়। যা ঘটে, যা দেখি—সবই আমি তুলে ধরতে পারি। অভিযুক্তের কথা, ভুক্তভোগীর বেদনা—সবই প্রকাশ করতে পারি, পক্ষপাতহীনভাবে। এই স্বাধীনতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগই আমার সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য।

বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা সত্যিই কঠিন। তিন ধাপের কঠোর পরীক্ষা—এমসিকিউ, লিখিত ও ভাইভা—পেরিয়ে তবেই চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হতে হয়। অনেক মেধাবীও এ পরীক্ষায় সফল হন না। তাই যারা সফল হয়েছেন, তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন। আশা করি তারা সততা ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে আদালতে মানুষের সেবা নিশ্চিত করবেন। ন্যায়বিচার যেন মানুষের কাছে সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে—এই দায়িত্ব তাদের কাঁধে।

ব্যক্তিগত জীবনের প্রেক্ষাপটে বলতে গেলে, আমার বাবা জহুরুল ইসলাম মণ্ডল (তোতা মিয়া) ও আমার চাচাতো ভাই ও ভগ্নিপতি—সবাই ওকালত করেছেন। তাই আদালতের পরিবেশ এবং প্রক্রিয়া আমার কাছে অপরিচিত নয়। তবু আমার পছন্দ সাংবাদিকতা। কারণ সাংবাদিকতা আমাকে স্বাধীনভাবে সত্য প্রকাশের সুযোগ দেয়।

আমি চাই নবীন আইনজীবীরা পেশায় সততা ও ন্যায়ের পথে এগোন। তাদের কাজ হোক মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ন্যায়ের সেবা নিশ্চিত করা এবং সমাজে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করা।
একবার আরও অভিনন্দন ও শুভ কামনা সকল নবীন আইনজীবীদের জন্য।

জিল্লুর রহমান পলাশ
এম.এ- এলএলবি (রাষ্ট্রবিজ্ঞান)
গণমাধ্যমকর্মী, যমুনা টিভি, গাইবান্ধা

(মুক্তমতামত বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com